Wrong Experiment. Movie Explanation.

 Wrong Experiment. Movie Explanation.


মুভির শুরুতে এক মেয়ে কে হিল জাম্পিং করতে দেখা যায়। সে ইনজয় করছিল। হঠাৎ করে একটি সার্কট্রোপাস এসে তাকে খেয়ে ফেলে। তারপর সার্কট্রোপাস সাঁতার কেঁটে একটি ওয়াটার পার্কে চলে যায় আর সবাই কে খেতে শুরু করে। তখন সে একটা ছেলের পিছু নেয় আর একটি মেয়ে কম্পিউটার ব্যবহার করে তাকে মেরে ফেলে। সার্কট্রোপাসের অ্যাম্বিও জলের সাথে অন্য কোথাও ভেসে চলে যায়।


অন্য একটি মেয়ে লরিনার আঙ্কেল নদীতে জাল দিয়ে মাছ ধরছিল। তার জালে অ্যাম্বিও ধরা পরে যায়। লরিনা তাকে কাঁটে এবং সেখান একটি বাচ্চা সার্কট্রোপাস পায়। তারপর মুভি তে ডাক্তার রিকো সাইমস কে দেখানো হয়। যে সার্কট্রোপাস তৈরি করেছিল। সে এইবার নতুন একটি জন্তু আবিষ্কার করেছে। যার নাম টেরাকোডা। ডাক্তার রিকো সাইমস তার সুরক্ষা কর্মীর প্রধান হেমিলটোন কে বলে, "আমরা এই টেরাকোডা সেনাবাহিনীর সাহায্যের জন্য তৈরি করেছি। আমরা এর ভিতরে একটি চিপ লাগিয়েছি। যার সাহায্যে আমরা একে নিয়ন্ত্রণ করতে পারব"।


টেরাকোডা তার প্রথম মিশনে সফল হয়ে যায়। ল্যাব এর সবাই এতে খুশি হয়। কিন্তু সেখানে ল্যাবের কাজ করা একটি ছেলে যার নাম লেডমি ফিউটন সে বেশি খুশি হয় না। সে কম্পিউটার হ্যাক করে টেরাকোডা কে তার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। একটু পর সবাই দেখে টেরাকোডা আদেশ মানছে না এবং টেরাকোডা ল্যাবের দিকপ এগিয়ে আসছে। কিছু সময় পর টেরাকোডা ডাক্তার সাইমস এর সেক্রেটারি কে খেয়ে ফেলে। 


সবাই পালিয়ে যায়। ডাক্তার সাইমস হেমিলটোন কে বলে, "যাও আর তাকে মেরে ফেলো"। হেমিলটোন তার দল নিয়ে যেতে থাকে। কিন্তু তারা তাকে মারতে পারে না। উল্টো টেরাকোডা হেলিকপ্টার ধাক্কা মেরে জলে ফেলে দেয়। জল এ পরার কারণে সবাই বেঁচে যায়। কিন্তু টেরাকোডা এক এক করে সবাই কে মেরে ফেলে। কোন এক ভাবে হেমিলটোন বেঁচে যায় আর জলের বাহিরে চলে যায়।


টেরাকোডা হেমিলটোন কে খেতে এগিয়ে আসে। কিন্তু অন্যদিকে ফিউটনের এক্সিডেন্ট হয়ে যায়। তারপর হাতের বিয়ার কম্পিউটারের উপরে পরে যায় এবং সে টেরাকোডার উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। তারপর টেরাকোডা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।


অন্যদিকে দেখানো হয় লরিনা এক ওয়াটার পার্কে কাজ করে। সেখানে তার আঙ্কেল মুনুজ যে অনেক লোভী। সে আয় বাড়ানোর জন্য লরিনা কে বলে, "আমি এই সার্কট্রোপাসের পিছনে অনেক টাকা খরচ করেছি। তার সো মানুষদের দেখাবো"। কিন্তু লরিনা বলে উঠে, "তার এইসব পছন্দ করে না। এই অবস্থায় সার্কট্রোপাস কে বিরক্ত করা ঠিক হবে না"। কিন্তু সে তার কথা শুনে না আর তার একটা লোক কে মাছ নিয়ে আসতে বলে। যাতে মাছ দেখে সেই সার্কট্রোপাস বাহিরে বের হয় আর সে তাকে দেখতে পারে।


মাছ দিতেই সার্কট্রোপাস বাহিরে বেরিয়ে আসে আর সেই লোকটির উপরে হামলা করে দেয়। এটা দেখে মুনুজ জলে ক্লোরিন ঢেলে যায় আর সার্কট্রোপাস অজ্ঞান হয়ে যায়। এটা দেখে লরিনা রাগ করে সেখান থেকে চলে যায়। এক কাপল যারা সেখানে ঘুরতে এসেছে তাদের ডলফিনের সো দেখাতে চলে যায়। কিন্তু ওই কাপল লরিনা কে বলে, "আমরা সার্কট্রোপাস কে দেখন। তাকে দেখার জন্য আমরা বেশি টাকা দিয়েছি"। লরিনা তাদের মানা করে দেয়। তারপর তারা মুনুজ কে কথা শুনাতে যায় এবং বলে, "তোমার ওয়াটার পার্ক কে আমরা এক রেটিং দিব"। 


তখন মুনুজ তাদের বলে, "আমি আপনাদের সার্কট্রোপাস দেখাতে পারব"। এটা শুনে তারা মেনে নেয় এবং মুনুজ তাদের কে নিয়ে সার্কট্রোপাসের কাছে যায়। সেখানে গিয়ে মহিলাটি তার পা জলের ভিতরে রাখে। সার্কট্রোপাস তার একটি লেজ বের করে মহিলার মুখে মারে। ততক্ষণে মুনুজ জলে আবার ক্লোরিন ঢেলে দেয় এবং সে অজ্ঞান হয়ে যায়। তারপর কাপল বলে, "আমরা তোমার কম্পেলেন মিডিয়ার কাছে করব" এবং তারা মিডিয়াকে সার্কট্রোপাস এর বিষয় জানিয়ে দেয়।


অন্যদিকে হেমিলটোন কোন ভাবে ল্যাব এ ফিরে যায় এবং ডাক্তার সাইমস কে জিজ্ঞাসা করে, "এখন সেই টেরাকোডা কোথায়"? তখন ডাক্তার বলে, "এখন সেই সে নর্থ এর দিকে যাচ্ছে"। তারপর সে খবর দেখে জানতে পারে সার্কট্রোপাস এখনো মারা যায় নি। তারপর ডাক্তার সাইমস হেমিলটোন কে বলে, "আমরা এর সাহায্যে টেরাকোডা কে থামাতে পারব"। তারপর ডাক্তার সাইমস ও হেমিলটোন মুনুজ এর কাছে যায় এবং সার্কট্রোপাস কে নিয়ে একটা চুক্তি করে। 


মুনুজ তাদের বলে, "তার ভাতিজি সার্কট্রোপাস কে নিয়ে যেতে দিবে না। সে সার্কট্রোপাস কে নিয়ে অনেক আবেগী। সেই সাথে সে অনেক চালাক"। ডাক্তার সাইমস মুনুজ কে টাকার লোভ দেখায় এবং সে রাজি হয়ে যায়। তারপর মুনুজ হেমিলটোন কে সেই নদীর পাশে নিয়ে যায় যেখানে সার্কট্রোপাস রয়েছে। মুনুজ জলে ক্লোরিন মিশিয়ে দেয়। যার ফলে সার্কট্রোপাস অজ্ঞান হয়ে যায়। তখন সেখানে লরিনা চলে আসে আর তাকে এমন করা থেকে আটকায়। কিন্তু হেমিলটোন সার্কট্রোপাসের মাথা ছিদ্র করে চিপ লাগিয়ে দেয়। তাকে সেখান থেকে নিয়ে যেতে চায়। কিন্তু লরিনা বাঁধা দেয়। তাই মুনুজ তাকে একটা ঘরে আটকে রাখে আর সার্কট্রোপাস কে একটা ট্রাক বেঁধে নিয়প যায়। তাকে একটা সমুদ্রে ছেড়ে দেয়। তাকে দেখে টেরাকোডা সেখানে চলে আসে।


অন্যদিকে কিছু মানুষ সমুদ্রে সাঁতার কাঁটতে যায়। কিন্তু তাদের টেরাকোডা আর সার্কট্রোপাস খেয়ে ফেলে। তারপর তারা লড়াই করতে শুরু করে দেয়। অন্যদিকে লরিনা কোন ভাবে রুমের তালা ভেঙ্গে তার বয়ফ্রেন্ড রিং কে ফোন দিয়ে বলে, "তারা সার্কট্রোপাস কে এখান থেকে নিয়ে গিয়েছে আর কোন একটা সমুদ্রে ছেড়ে দিয়েছে। তুমি যতদ্রুত সম্ভব বীচ খালি করে দাও। কারণ মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে"।


রিং সবাই কে চলে যেতে বলে। কিন্তু কেউ তার কথা শুনে না। সেই বীচের কিনারা এক ব্যবসায়ী কে দেখায়। সে সান বার্থ নিচ্ছে। তখন তার মাথায় একটা বল এসে লাগে। তাই সে চিৎকার করে। ততক্ষণে সার্কট্রোপাস তার কাছে এসে তাকে খেয়ে ফেলে। তারপর সবাই ভয় পেয়ে পালিয়ে যেতে থাকে। সেই বীচে ওই কাপল বসে ইনজয় করছিল। টেরাকোডা সেখানে চলে আসে আর সবাই কে খেতে থাকে। সেই কাপল তাদের জীবন বাঁচিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। 


ডাক্তার সাইমস জেনে যায় কে টেরাকোডা কে নিয়ন্ত্রণ করছে। সে হেমিলটোন কে দেখায়। যে দেখো সি.সি.টিভি ফুঁটেজ থেকে জানা যায় এই কাজ ফিউটনের। অন্যদিকে ফিউটন এক হোটেল এ বসে তার কম্পিউটার ঠিক করছে। সেই কাপল যখন হেলিকপ্টারে করে বাসায় ফিরছিল তখন টেরাকোডা সেখানে আসে আর হামলা করে দেয়। হেলিকপ্টার একটা পার্কে গিয়ে ক্রাস করে আর সবাই মারা যায়।


পরের দৃশ্যে দেখানো হয়, কিছু মানুষ সমুদ্রে ইনজয় করছে। সেখানে টেরাকোডা এবং সার্কট্রোপাস এসে তাদের খেয়ে ফেলে। তারপর দুইজন লড়াই করতে শুরু করে দেয়। কিছু সময় পর টেরাকোডা সার্কট্রোপাস কে আকাশে নিয়ে যায়। তারপর তার মাথা থেকে চিপ সরিয়ে দেয়। যার ফলে সার্কট্রোপাস জলে পরে যায়। 


অন্যদিকে হেমিলটোন ডাক্তার সাইমস কে বলে, "এইসব আমাদের হাত থেকে চলে যাচ্ছে। এখন যা করার আমি আমার মতো করব"। তারা দুইজন চলে যাচ্ছিল তখন তারা লরিনা কে দেখে। হেমিলটোন ডাক্তার সাইমস কে বলে, "এটা সেই পার্কের মেয়েটি"। ডাক্তার সাইমস লরিনা কে কিডন্যাপ করে নেয়। হেমিলটোন লরিনা কে বলে, "এই দুইটি প্রাণির ডাক্তার সাইমসের তৈরি"। হেমিলটোন একটা দোকানের সামনে গাড়ি থামায় এবং টেরাকোটা কে মারার জন্য এক অস্ত্র বানায়। 


অন্যদিকে লরিনা রিক কে দেখে ফেলে। সে মানুষদের বাঁচাচ্ছে। সে ডাক্তার সাইমসের চোখ ফাঁকি দিয়ে চলে যায় এবং রিক কে সবটা বলে দেয়। তারপর রিক লরিনা কে বলে, "এখন আমাকে যেতে হবে। মানুষের আমার প্রয়োজন"। প্রতি উত্তরে লরিনা রিক কে বলে, "তোমাকেও আমার প্রয়োজন"। রিক বলে, "আমি জানি তুমি তোমার লড়াই নিজে লড়তে পারো"। তারপর রিক মানুষদের বাঁচাতে চলে যায়। তখন টেরাকোডা তার পিছনে পরে যায় আর রিক কে মেরে ফেলে।


অপর দিকে ডাক্তার সাইমস লরিনা কে আবার ধরে ফেলে আর টানতে টানতে নিয়ে যায়। মুনুজ লরিনা কে খুঁজতে শুরু করে দেয়। সেখানে সার্কট্রো চলে আসে আর তাকে খেয়ে ফেলে। ওয়াটার পার্কের সুরক্ষা কর্মী সার্কট্রোপাস কে গুলি মারে। কিন্তু তার কিছু হয় না। তারপর সার্কট্রোপাস অপর মানুষটিকে মেরে সেখান থেকে চলে যায়। যাওয়ার সময় রাস্তা দিয়ে হাঁটতে থাকা একজন মানুষ কে মেরে ফেলে।


অন্যদিকে লরিনা, ডাক্তার সাইমস এবং হেমিলটোন সেই হোটেলে গিয়ে উপস্থিত হয়। সেখানে তারা ফিউটন কে পায়। ম্যানেজার কে তার সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞাসা করলে ম্যানেজার কিছু বলে না। তারপর তারা লরিনা কে ওয়েটারের কাপড় পরিয়ে ফিউটনের রুমে পাঠায়। তখন তারা ফিউটন কে ধরে ফেলে। ডাক্তার সাইমস কম্পিউটার নিয়ে সেটা হ্যাক করতে থাকে। ততক্ষণে খবরে দেখায় ডাক্তার সাইমস এর নাম প্রচার হয়ে গিয়েছে। এটা লরিনার জন্য হয়েছে। ততক্ষণে ফিউটন বলে, "সে শুধু একজন কন্টাক্ট টার। সে টাকার জন্য কাজ করে"। 


ততক্ষণ এ ফিউটন সেই তিনজন কে বন্দুক দেখিয়ে পালিয়ে যায়। তখন লরিনা আর হেমিলটোন ফিউটনের পিছু নেয়। হেমিলটোন তার উপরে গুলি চালায় এবং তাকে সামনে আসতে বলে। ততক্ষণ এ টেরাকোডা এসে ফিউটন কে নিয়ে যায়। ডাক্তার সাইমস বলে, "এই ট্রান্সফার গুলো লক করে"। তারা গাড়িতে বসে চলে যেতে নেয়। টেরাকোডা এসে তাদের উপরে হামলা করে দেয়। তখন ডাক্তার সাইমস কম্পিউটার বাহিরে ফেলে দেয় আর লরিনা ও হেমিলটোন কে পালিয়ে যেতে বলে।


দুইজনে পালিয়ে একটা ঘরে লুকিয়ে পরে। সার্কট্রোপাস তার সুর দিয়ে লরিনা কে স্পর্শ করে চলে যায়। হেমিলটোন কম্পিউটার নিয়ে ডাক্তার সাইমসের কাছে যায়। যেখানে সে রেস্টুরেন্ট এ বসে একটা মানুষের সাথে চুক্তি করছে। হেমিলটোন সেখানে পৌঁছে যায় আর ডাক্তার সাইমস কে নৌকায় বসিয়ে সমুদ্রে ছেড়ে দেয়। হেমিলটোন গুলি করে নৌকা ছিদ্র করে দেয়। সেই ছিদ্র দিয়ে জল আসতে থাকে। তখন টেরাকোডা এসে ডাক্তার সাইমস কে ধরে নিয়ে যায়। পিছনের থেকে সার্কট্রোপাস তার পা ধরে ফেলে এবং তাকেও মেরে ফেলে।


তারপর লরিনার কাছে হেমিলটোন যায় এবং বলে উঠে, "এইসব আমার দোষ। আমি জনপ্রিয় হতে চেয়েছিলাম। খবরের কাগজে আমার নাম দেখতে চেয়েছিলাম। আমার আর ডাক্তার সাইমসের ভিতরে কোন পার্থক্য নেই"। তখন হেমিলটোন বলে উঠে, "একটা পার্থক্য আছে। সে একজন জিনিয়াস ছিল"। তারপর তারা দুইজন মিলে টেরাকোডা কে মারার পরিকল্পনা করে। তখন লরিনা জানতে পারে এই টেরাকোডা ক্ষুধার্ত। সে বড় জিনিস দেখে আকর্ষিত হয়।


তারপর তারা এক নৌকায় উঠে। হেমিলটোন উজ্জ্বল একটি বল নিয়ে আসে। লরিনা জিজ্ঞাসা করে, "তুমি এটা কোথায় পেয়েছো"? উত্তরে হেমিলটোন বলে, "আমি এটার উপরে নিশানা লাগিয়েছিলাম"। তারপর সে বল টি জলে ফেলে দেয়। যাতে টেরাকোডা আকর্ষিত হয়। কিছুসময় পর টেরাকোডা তাদের নৌকা ধাক্কা দেয়। যার ফলে লরিনা জলে পরে যায়।


টেরাকোডা লরিনা কে যখনি খেতে নেয় তখন তাকে বাঁচাতে সার্কট্রোপাস চলে আসে। তারপর তাদের ভিতরে লড়াই শুরু হয়ে যায়। হেমিলটোন নিশানা লাগিয়ে টেরাকোডার শরীরে বোম লাগিয়ে দেয়। তারপর লরিনা কে উপরে তুলে তাদের দুইজন থেকে দূরে সরে যায়। যাতে তাদের কোন ক্ষতি না হয়। কিছু সময় পর সার্কট্রোপাস এবং টেরাকোডা বোম ব্লাস্ট হয়ে যায়। লরিনা হেমিলটোন কে জিজ্ঞাসা করে, "তারা দুইজন কি মারা গিয়েছে"? প্রতি উত্তরে হেমিলটোন, "হ্যাঁ" বলে। তারপর দুইজন খুশি মনে পাড়ের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।


তারপর লরিনা বলে উঠে, "আমি এই কাজ করে অনেক ক্লান্ত হয়ে গিয়েছি। তাই আমার ছুটির প্রয়োজন"। প্রতি উত্তরে হেমিলটোন বলে উঠে, "হ্যাঁ, তুমি একদম ঠিক বলেছো"। তারপর দুইজন হাসতে শুরু করে দেয়। এরপর পিছন থেকে সার্কট্রোপাস তাদের নৌকা পিছন থেকে ধরে আর মুভি টি এখানে শেষ হয়ে যায়। ধন্যবাদ।

মন্তব্যসমূহ