Splice
![]() |
| Splice. Movie Explained |
হ্যালো বন্ধুরা, আজকে আমি ২০০৯ সালের সাইন্স ফিকশন ভৌতিক মুভি স্প্লাইস এর মুভি এক্সপ্লানেশন করতে যাচ্ছি। যেখানে দুই বিজ্ঞানী গুপন ভাবে একটি হাইব্রেড প্রাণি তৈরি করে। যেটি সময়ের সাথে সাথে তাদের গলার কাঁটা হয়ে যায়। তারা এই কাঁটা বের করতে পারবে কিনা চলুন দেখে আসি।
মুভির শুরুতে আমরা কিছু বিজ্ঞানীদের একটি পরীক্ষা করতে দেখি। পরীক্ষা সম্পূর্ণ হওয়ার পরে দুইজন জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ার স্কালাইফ নিকোলী এবং এলসা কাস্ট কে দেখি। তারা দুইজন নাড কোম্পানির জন্য কাজ করে। তার পূর্ণরূপ হলোঃ নিউক্লিক এক্সচেঞ্জ রিসার্চ এবং ডেভলাপম্যান্ট। এই কোম্পানি পশুপাখির জন্য ওষুধ তৈরি করে। পশুপাখির জন্য ওষুধ তৈরি করার জন্য তারা সি.ডি.ফোরটি সিক্স নামের প্রোটিন সোর্স এর সন্ধান পেতে চায়। তাই তারা কয়েকটি পশুপাখির ডিএনএ মিলিয়ে নতুন ডিএনএ তৈরি করার জন্য গবেষণা করছে।
তারপর আমরা মুভিতে দেখি তারা তাদের গবেষণা দিয়ে একটি বড় অদ্ভুত প্রাণি তৈরি করেছে। এরা এর নাম ফ্রেড রেখেছে। এটি একটি পুরুষ। তারা একে একটি কাঁচের বাক্সে রেখে দেয়। তারপর তারা তাকে ফ্রেড কে জিনজারের সাথে দেখা করায়। তারা ফ্রেড এর আগে জিনজার কে গবেষণা করে তৈরি করেছি। এটি একটি মহিলা।
এখানে আমরা দেখি ফ্রেড আর জিনজার একে-অপরের সাথে ভালোবাসার সহিত যোগাযোগ করে। এলসা আর স্কালাইফ এর গবেষণা সম্পূর্ণ হয়ে যায়। এলসা এবং স্কালাফ তাদের সহকর্মী বিলিয়াম ভায়ার্লো এর সাথে গবেষণার রিপোর্ট দেওয়ার জন্য তাদের কোম্পানির মালিক জন করোট এর কাছে যায়।
তারা জন করোট কে বলে, "তারা কয়েকটি প্রাণির ডিএনএ এক করে একটি ভিন্ন ধরনের প্রাণি জিনজার ও ফ্রেড কে তৈরি করেছে। তাদের প্রোটিন থেকে পশুপাখির ওষুধ বানানো যাবে"। এখন এলসা ও স্কালাইড এই গবেষণা মানুষের উপরে করতে চায়। তারা আগের ডিএনএ এর সাথে মানুষের ডিএনএ মিলিয়ে ক্যান্সার এবং অনিদ্রার মতো রোগ এর সম্পর্কে তথ্য যোগার করতে চায়।
এই বিষয়ে জন করোট কিছু সময় ভাবে এবং তারপর বলে উঠে, "কোম্পানির বোর্ড মেম্বার তাদের এই গবেষণার জন্য অনেক খুশি হয়েছে। কিন্তু তারা এখন ২য় ধাপের দিকে এগিয়ে যেতে চায় এবং জিনজার ও ফ্রেড এর শরীর থেকে বের হওয়া প্রোটিন দিয়ে পশুপাখির ওষুধ তৈরি করতে চায়"। তার সাথে তিনি তাদের বলে, "এখন কোম্পানি তাদের সকল ল্যাব বন্ধ করে সেখানে জিনজার ও ফ্রেড থেকে পাওয়া প্রোটিনের সোর্স দিয়ে পশুপাখির ওষুধ তৈরি করবে"। এলসা জন করোট কে বলে, "এখন যদি সে এই গবেষণা না করে তাহলে অন্য কেউ এই গবেষণা সম্পূর্ণ করে ফেলবে"।
প্রতি উত্তরে জন করোট বলে, "আপাদত তারা পশুপাখির ওষুধ তৈরি করে বাজারে বের করায় আগ্রহী। যদি পরে তারা এতে সফল হয় তাহলে তারা এই গবেষণা মানুষের উপরে করবে"। কিন্তু এলসা ও স্কালাইফ তাদের জীবনের ৫ বছর পশুপাখির থেকে প্রোটিন সোর্স বের করায় নষ্ট করতে চায় না। তাই তারা এই গবেষণা গুপনে করার সিদ্ধান্ত নেয়।
তারা দুইজন এই গবেষণা লুকিয়ে শুরু করে দেয়। এলসা স্কালাইফ কে একটি অজানা মহিলার ডিএনএ দেয়। তারা দুইজন তাদোর গবেষণা শুরু করে। তবে তাদের গবেষণা সফল হয় না। তাই স্কালাইফ এলসা কে বলে, "হয়ত মানুষের ডিএনএ পশুপাখির ডিএনএ এর সাথে মিশতে চায় না"। এক টানা তাদের কয়েকটি গবেষণা বিফল হয়ে যায়।
তারপর এলসা স্কালাইফ কে আরেকজন মহিলার ডিএনএ এনে দেয় আর তার উপরে গবেষণা করতে বলে। যখন স্কালাইড তার উপরে গবেষণা করে তখন এই ডিএনএ এর সাথে তাদের গবেষণা সফল হয়ে যায়। এর ফলে তারা দুইজন খুশি হয়ে যায়। এলসা এই গবেষণা নিয়ে অন্য একটি ল্যাব এ যায়। স্কলাইফ এর মানা করা সত্যেও তিনি একটি আর্টিফিশিয়াল গর্ভের ভিতরে প্রবেশ করতে নেয়।
স্কলাইফ এলসা কে এমন করতে মানা করে। এলসা স্কালাইফ কে বুঝায়, "সে শুধু জানতে চায় এই ডিএনএ বেঁচে থাকতে পারে কিনা এবং গবেষণা সম্পূর্ণ হওয়ার আগে তাকে মেরে ফেলব"। স্কালাইফ বলে, "কাউকে জীবিত করে তারপর আবার মেরে ফেলা একটি খারাপ বিষয়"। এলসা স্কালাইফ কে বলে, "প্রতিদিন না জানি কত মানুষ মারা যায়। কিন্তু তার গবেষণা সফল হয়ে গেলে সে না জানি কত মানুষের জীবন বাঁচাতে পারবে"। এটা শুনে স্কালাইফ এলসার কথা মেনে নেয় আর গবেষণা করতে দেয়।
তারপর দুইজন দেখতে পায় এর গ্রোথ অনেক দ্রুত হয়। যেটি কয়েক মাসে বের হওয়ার কথা সেটি কয়েকদিনে বের হতে চায়। যখন এলসা সেটি বের করার জন্য হাত ডুকায়, তখন সেটি এলসার হাত টেনে নিয়ে যায়। স্কালাইফ কাঁচ ভেঙ্গে এলসার হাত বের করে আনে। সেখান থেকে অদ্ভুত দেখতে একটি প্রাণি বেরিয়ে আসে। এর একটি লেজ ছিল। যা মানুষ বা প্রাণি কিছুর মতো দেখা যাচ্ছিল না। স্কালাইফ একে মারতে চায় কিন্তু এলসার মনে হয় তারা দুইজন এর থেকে কিছু শিখতে পারবে। তাই সে তাকে জীবিত রাখতে বলে।
তারপর তাকে অজ্ঞান করে একে এক্স-রে করার পরে তারা পায়, এটি একটি মহিলা এবং এর বয়স অনেক দ্রুত বাড়ছে। যার কারণে এটি দ্রুত মারা যাবে। এলসা স্কালাইফ কে বলে, "আমরা এর জীবন থেকে অনেক কিছু শিখতে পারব"। তাই তারা একে জীবিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।
তারপর তারা সেই অদ্ভুত প্রাণির গতিবিধির উপরে নজর রাখতে থাকে। সেটি প্রথম মাসে অনেক দ্রুত বেড়ে উঠছে এবং তার দুই হাত বেরিয়ে এসেছে। তার মস্তিষ্ক এক্স রে করার পরে জানা যায় তার মস্তিষ্ক মানুষের মস্তিষ্কের মতো বেড়ে উঠছে। একদিন এলসা তাকে তার নাম লেখা শেখায়। সে তার ট্রি-শার্ট এ লেখা নার্ড লিখে দেয়। তারপর এলসা তার নাম ড্রেন রেখে দেয়। যেটি নার্ড কে উল্টো করলে হয়। স্কালাইফ এলসা কে বলে, "তুমি এটিকে এমন ভাবে দেখাশোনা করছো যেন এটি তোমার নিজের"। তারপর স্কালাইফ এলসা কে বলে, "কিছুদিনের ভিতরে এই বিল্ডিং এর নির্মাণ কাজ শুরু হবে"।
তখন এলসা ড্রেন কে ব্যাসম্যান্ট এ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। স্কালাইফ এর গবেষণার কথা স্কালাইফ এর ভাই ডেভিড জেনে যায়। তারা দুইজন ড্রেন কে নিয়ে ব্যাসম্যান্ট এ চলে যায়। সেখানে ড্রেন এর শরীর খারাপ হয়ে যায় আর তার অনেক জ্বর আসে। স্কালাইফ ড্রেন এ জলে রেখে তার জীবন বাঁচিয়ে নেয়। কারণ সে জানে তার ভিতরে মাছের গুণ রয়েছে।
এরপরে দৃশ্য দেখানো নার্ড এর শেয়ার মালিকদের জিনজার এবং ফ্রেড এর বিষয়ে বলার জন্য একটি জায়গায় ডাকা হয়। এলসা এবং স্কালাইফ সবার সাথে ফ্রেড এবং জিনজারের পরিচয় করায় এবং তাদের একটি কাঁচের বাক্সে রাখা হয়। যেমন আমরা মুভির শুরুতে দেখেছি, তাদের এক সাথে রাখার পরে তারা একে-অপরের সাথে ভালো মতো যোগাযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু এখানে সবকিছু ভিন্ন হয়ে যায়। তারা একে-অপরের উপরে আক্রমণ করে এবং একে-অপরকে মেরে ফেলে। এটা দেখে সবাই ভয় পেয়ে যায়।
তারপর আমরা এলসা এবং স্কালাইফ কে বোর্ড মিটিং এ দেখতে পাই। তারা এখানে বলে, "জিনজার যে একজন মেয়ে ছিল। তার ভিতরে হরমোনিয়াম পরিবর্তন আসার কারণে তার লিঙ্গ পরিবর্তন হয়ে পুরুষ হয়ে গিয়েছে। যখন দুইজন পুরুষ কে এক সাথে রাখা হয়, তখন তারা একে-অপরকে মেরে ফেলেছে"। এলসা আবার এই গবেষণা করার ইচ্ছা প্রকাশ করে। তবে তাদের গবেষণা বিফল হয়ে যাওয়ার কারণে তাদের প্রস্তাব মেনে নেওয়া হয় না।
তারপর যে কোন উপায়ে সি.ডি.ফোরটি সিক্স এর প্রোটিন সোর্স খুঁজতে বলা হয়। অন্যদিকে ড্রেন অনেক বড় হয়ে গিয়েছিল। তার সাথে তার লেজ অনেক বড় হয়ে গিয়েছিল। এখন তাকে আশেপাশের মানুষ দেখে ফেলার ভয় ছিল। তাই তারা ড্রেন কে এলসার ফার্ম-হাউস নিয়ে আসে। ড্রেন এখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু তাকে খুঁজতে যখন তারা পিছনে যায়, তখন ড্রেন কে খরগোশ এর মাংস খেতে দেখতে পায়।
এর জন্য এলসা ড্রেন কে বকা দেয়। তারা এখন ড্রেন এর খেয়াল রাখছে আর তার পাশাপাশি ল্যাব এ প্রোটিন সোর্স খুঁজার কাজ করছে। ড্রেন এখন এলসার কথা শুনছিল না আর অদ্ভুত ধরনের আচরণ করছিল। একবার ড্রেন ছাদের কাঁচ ভেঙ্গে উপরে চলে যায়। এলসা আর স্কালাইফ ছাদের উপরে যায় এবং দেখতে পায় তার পাখা বেরিয়ে এসেছে। যখন স্কালাইফ তার কাছে যায়, তখন ড্রেন তাকে জড়িয়ে ধরে।
একদিন স্কালাইফ ল্যাব এ চলে যায় আর এলসা ড্রেন এর খেয়াল রাখার জন্য সেখানে থেকে যায়। সে ড্রেন কে মেকাপ করিয়ে দিচ্ছিল। এলসা ড্রেন এর আঁকা কিছু ছবি দেখতে পায়। কিন্তু ড্রেন সেগুলো ছিনিয়ে নেয়। একদিন ড্রেন একটি বিড়াল এর সাথে খেলছিল। এলসা তার থেকে বিড়াল ছিনিয়ে নেয়। তার ফলে সে দুখি হয়ে যায়।
যখন স্কালাইফ ফার্ম-হাউস আসে, তখন সে ড্রেন এ দুখি অবস্থায় দেখে। সে গান চালায় এবং দুইজন নাচতে শুরু করে। হয়ত এখন ড্রেন স্কালাইফ এর উপরে আকর্ষিত হয়ে পরছিল। এখন স্কালাইফ জেনে যায় গবেষণার জন্য এলসা যে ডিএনএ দিয়েছিল, সেটি এলসার নিজের। এই কারণে স্কালাইফ এলসার উপরে রেগে যায়। একদিন যখন এলসা বিড়ালের জন্য ড্রেন কে বকা, তখন ড্রেন তার লেজ দিয়ে বিড়াল কে মেরে ফেলে। তারপর এলসার সাথে অদ্ভুত আচরণ করে।
যখন ড্রেন সেখান থেকে পালিয়ে যাচ্ছিল এলসা তাকে অজ্ঞান করে দেয়। তারপর তার লেজ কেঁটে ফেলে। যাতে সে কাউকে আহত না করে। স্কালাইফ এসে এইসব দেখার পরে তার এইসব ঠিক মনে হয় না আর সে ড্রেন কে খুলে দেয়। এরপর আমরা এলসা কে ল্যাব এর ভিতরে দেখতে পাই। সে বিলিয়াম ভায়ার্লো কে বলছে, "পশুপাখির ওষুধ বানানোর জন্য সি.ডি.ফোরটি সিক্স এর প্রোটিন সোর্স খুঁজে নিয়েছে"।
তারপরের দৃশ্যে আমরা দেখতে পাই, স্কালাইফ আর ড্রেন ফার্ম-হাউস এ একা থাকে। ড্রেন স্কালাইফ কে চুম্বন করে এবং তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়ে যায়। তখন সেখানে এলসা চলে আসে আর সবকিছু দেখে নেয়। স্কালাইফ এলসা কে আটকানোর চেষ্টা করে। তবে সে গাড়িতে বসে চলে যায়।
স্কালাইফ এলসার সাথে দেখা করতে আসে আর সে তাকে সরি বলে। তখন এলসা স্কালাইফ কে বলে, "ড্রেন এর ভিতরে সি.ডি.ফোরটি সিক্স এর প্রোটিন রয়েছে। যেটি পশুপাখির ওষুধ তৈরি করার জন্য প্রয়োজন"। তারা ফার্ম-হাউস ফিরে আসে। তখন তারা দেখতে পায় ড্রেন মারা যাচ্ছে। ড্রেন মারা যাওয়ার পরে স্কালাইফ এবং এলসা তাকে মাটিতে চাপা দিয়ে দেয়।
বিলিয়াম ভায়ার্লো কে এলসার দেওয়ার স্যাম্পল এর ভিতরে মানুষের ডিএনএ পেয়ে ডেভিড এর সাথে ড্রেন কে দেখতে এলসার ফার্ম-হাউস চলে আসে। এলসা তাকে বলে, "ড্রেন এখন মারা গিয়েছে"। তখন সেখানে জোরে বাতাস আসে আর তারা দেখতে পায় বিলিয়াম ভায়ার্লো সেখানে নেই। কিছু সময় খুঁজার পরে বিলিয়াম ভায়ার্লোর মৃতদেহ একটি গাছের মধ্যে ঝুঁলে থাকা অবস্থায় পাওয়া যায়। তারপর তারা ড্রেন কে ফার্ম-হাউস এর ছাদে দেখতে পায়। এখন তাদের সাথে যা হচ্ছিল সেগুলো তারা বুঝতে পারে না। তারা তিনজন অনেক ভয় পেয়ে ছিল।
তারপর ড্রেন ডেভিড কে নিয়ে চলে যায়। স্কালাইফ ডেভিড কে খুঁজতে শুরু করে দেয়। এলসা স্কালাইফ কে বুঝানোর চেষ্টা করে, "ফ্রেড এবং জিনজার এর সাথে যা হয়েছিল সেটি এখন ড্রেন এর সাথে ঘটেছে"। অর্থাৎ ড্রেন এখন মেয়ে থেকে ছেলে তে পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। স্কালাইফ এর হাত থেকে তার লাইট জলে পরে যায়। যখন সে লাইট বের করতে যায়, তখন ড্রেন স্কালাইফ কে জলের ভিতরে টেনে নেয়। কিছু সময় স্কালাইফ জলের উপরে চলে আসে। তখন ড্রেন জল থেকে বেরিয়ে আসে আর আমরা দেখতে পাই তার কাঁটা লেজ ফিরে এসেছে। সে আগের চেয়ে বেশি শক্তিশালী হয়ে গিয়েছিল।
ড্রেন কে দেখে এলসা ভয় পেয়ে যায় আর নিজের জীবন বাঁচানোর জন্য সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার সময় মাথায় আঘাত পেয়ে সে মাটিতে পরে যায়। তখন ড্রেন সেখানে চলে আসে। এখন তার লিঙ্গ পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিল। ড্রেন এলসার রেপ করতে শুরু করে। যখন স্কালাইফ এর জ্ঞান ফিরে আসে, তখন সে এলসা কে বাঁচানোর জন্য গাছের টুকরো ড্রেন এর পিঠে ডুকিয়ে দেয়। যার ফলে সে ব্যাথায় ছটফট করতে থাকে। ড্রেন তার পিঠ থেকে গাছের টুকরো বের করে ফেলে আর এলসা সেখানে চলে আসে।
তারপর সে বড় একটি পাথর উঠিয়ে নেয়। কিন্তু তার আগে ড্রেন তার লেজ দিয়ে স্কালাইফ কে মেরে ফেলে। এটা দেখে এলসা অনেক রেগে যায় আর পাথর দিয়ে ড্রেন এর মাথা ফাঁটিয়ে দেয়। যার ফলে সে মারা যায়।
এখন মুভির শেষ দৃশ্যে আমাদের দেখানো হয়, ড্রেন এর ভিতরে সি.ডি.ফোরটি সিক্স এর পদার্থ অনেক মাত্রায় ছিল। যার ফলে তাদের কোম্পানির অনেক লাভ হয়। এই গবেষণার দ্বিতীয় ধাপ শুরু করার জন্য এলসা কে অনেক টাকা দেওয়া হয়েছে। সে সেটি গ্রহণ করে নেয়। তারপর আমরা দেখতে পাই, এলসা গর্ভবতী আর তার গর্তে ড্রেন এর নতুন হাইব্রেড বড় হচ্ছে। জন করোট এলসা কে বলে, "এতে তার জীবনের ঝুঁকি রয়েছে। তাই সে চাইলে এই গবেষণা এখানেই থামিয়ে দিতে পারে"। কিন্তু এলসা এই গবেষণা এগিয়ে নিতে চায়।
এখানেই এই মুভির সমাপ্ত ঘটে। ধন্যবাদ।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার যদি গল্প নিয়ে বা গল্পের লেখক এর সম্পর্কে কিছু জানার থাকে তাহলে আমাকে জানাবেন। ধন্যবাদ।